Showing posts with label দুর্ঘটনা. Show all posts
Showing posts with label দুর্ঘটনা. Show all posts
Wednesday, April 24, 2013
Monday, April 22, 2013
আজ থেকে শুরু হয়েছে আবার হরতাল। আর হরতাল মানেই সহিংসতার আশংকা।
আজ১৮ দলেরডাকা টানা৩৬ ঘন্টারহরতাল শুরুহয়েছে। হরতালেরপ্রধান ইস্যুদলীয় নেতাদেরমুক্তি। হরতালবাংলাদেশের একটি সাংবিধানিক আন্দোলনের মাধ্যম।জাতীয় ইস্যুতে দেশের স্বার্থ রক্ষায় হরতাল আহবান করা যেতে পারে। আর এ হরতাল প্রতিহত করার সরকারের যে প্রচেষ্ট তা আসলে কি ভাল হচ্ছে? আমার মনে হয় মোটেও ভাল হচ্ছে না। কারণ এতে নৈরাজ্য, সহিংসতার আশংকা বৃদ্ধি হয়। একদল থাকে হরতাল সফল করার প্রচেষ্টায় আরেক দল থাকে তা প্রতিরোধ করায়। এতে দু’পক্ষের মধ্যে সৃষ্টি হয় ক্রোধ এর, হিংসা এবং ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া তো আছেই। এক পর্যায়ে তা সহিংসতায় পরিণত হয়। আর এ সহিংসতার দরুণ ককোন নেতা কর্মী আহত কিংবা নিহত হলে বিশেষ করে হরতালের সমর্থকদের মধ্য থেকে কেউ হলে ব্যাস্। পরের দিন আবার হরতাল। আর বর্তমানের হরতালে সবসময় বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের উপর থাকে পুলিশি নজর এবং বাঁধা। মিছিল করতে দেওয়া হয়না, সমাবেশ করতে গেলে বাঁধা প্রদান করা ইত্যাদি দেখলে মনে হয় এগুলো উদ্দেশ্য প্রণোদিত। হরতাল সমর্থক কিংবা বিরোধী দলের নেতা কর্মীরা জোর পূর্বক বাঁধা অতিক্রম করতে গেলেই শুরু হয় ধর-পাকড়। তারপর আবার শুরু হয় সেই ধর-পাকড়ে পাকড়াও হওয়া নেতা কর্মীদের মুক্তির দাবীতে হরতাল কিংবা আন্দোলন। এতে করে আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিতে এমন প্রভাব পড়ছে যে মনেই হয়না কখনো এ দেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। বর্তমানে যারা ক্ষমতায় আছেন তারা আজীবন মেয়াদ নিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন? না, তাদেরও কখনো না কখনো আবার বিরোধী দল হতে হবে। তাহরে তখন তাদের অবস্থা কি হবে একবার কি ভেবে দেখেছেন এই ক্ষমতাসীন দল। হাতে ক্ষমতা আসলেই মানুষ এভাবে ভোলানাথ হয়ে যাওয়া ঠিক না। এতে নিজেরই ক্ষতি। এদেশ স্বাধীন হয়েছে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। এদেশের রাষ্ট্রীয় ভাষা অর্জিত হয়েছে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। তারমানে বুঝতে হবে এদেশের জনগণের ঘাড়ের উপর জোর-জবরদস্তি জরগণ মেনে নিতে পারে না। এরা যেকোন মুহুর্তে আবারো সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়তে জানে। সুতরাং দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আমার আহবান, আপনারা সংঘাতের রাজনীতি মন থেকে ধূয়ে মুছে অহিংস রাজনীতির প্রতি জোর দিন। এদেশের সহজ সরল জনগণকে উপহার দিন সুন্দর একটি দেশ। আমরা সুন্দরভাবে, শান্তভাবে এবং নিরাপদে বাঁচতে চায়। মুক্তমনে, স্বাধীনচিত্তে খোলা আকাশের নিচে ঘুরতে চায়। বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ যেন একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে আমরা সেরকম বাংলাদেশ চায়।
Wednesday, January 18, 2012
মোবাইলের সুফল ও কুফল
মোবাইল বর্তমান সময়ে যোগাযোগের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। ছোট বড়, ধনী গরীব প্রায় সব শ্রেণীর মানুষের হাতেই এখন মোবাইলের ছড়াছড়ি। মোবাইল ছাড়া বলতে গেলে এখন আমরা অন্ধ প্রায়, অচল ও বটে। প্রিয়জন, বন্ধু-বান্ধব পৃথিবীর যে যে প্রান্তেই থাকুক না কেন মোবাইলের বোতাম টিপে মুহুর্তেই পৌঁছে যাচ্ছে এ প্রান্তের খবর ও প্রান্তে। আমরা জানতে পারছি যে যেখানে থাকুক না কেন তাদের কুশলাদি। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এখন আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশও মোবাইলের ব্যাবহারে কোন অংশে পিছিয়ে নেই। এক কথায় এখনকার সময়ে মোবাইল-ই যোগাযোগের শেষ ভরসা।
আবার এই মোবাইলের কিছু খারাপ দিকও লক্ষ্য করা যায়। অন্যান্য দেশের কথা জানিনা, আমাদের দেশে এই মোবাইল দুর্ঘটনার হার কিছু বাড়িয়েছে। আমি রাস্তায় চলমান অবস্থায় অনেক দৃশ্য দেখতে পেয়েছি এ রকম। অনেকে দেখেছি খুব নিকটের কারো সাথে মজিয়ে কথা বলছে আর হাঁটছে। হাঁটতে হাঁটতে সে কোথায় চলে যাচ্ছে সে নিজেও জানে না। হঠাৎ দেখে কোন কার কিংবা বাস তার সামনে হরন বাজিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমার চোখের দেখা দু’টো দুঘটনা বলি- ১ম টা ঘটেছে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী তৃতীয় সেতুর কাছেই। এক ভদ্রলোক কার সাথে কথা বলছিলেন খুব রাগান্বিত স্বরে। কথা বলতে বলতে সে রাস্তার মাঝখানে চলে যায়। পেছন থেকে একটি প্রাইভেট কার অনেক হরন বাজিয়েছে সে শুনেই না। আশে পাশের লোকজন ও তাকে খুব জোরে ডাকছিল। কিন্তু তার খেয়াল এখানে নাই। অন্য কোথাও হারিয়ে গেছে তার খেয়াল। ফলে প্রাইভেট কারটিকে ওভারটেক করতে গিয়ে এক সিএনজি ঐ ভদ্রলোকটিকে ধাক্কা দেয়। লোকটি মারা যায়নি ঠিক। কিন্তু আহত হয়েছে। লোকজন এসে সিএনজি ড্রাইভারকেই দোষারোপ করতে চেষ্টা করল। আসলে কিন্তু তার দোষ ছিল না। ওখানে ভদ্রলোকটি মারা ও যেতে পারত। আশে পাশের লোকজন এসে যারা তাকে ডাক দিয়েছিল তারা এসে পরে বললো সিএনজি ড্রাইভারের কোন দোষ নাই। পরে ঐ ভদ্রলোকটিও তার দোষ স্বীকার করল। আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল এ রকম কক্সবাজারের লিংক রোডের মাথায়। লোকটি ছিল একজন পর্যটক। তিনিও একই কায়দায় কথা বলতে বলতে কিছুক্ষণ পর নিজেকে আবিস্কার করল মাঝরাস্তায় আহত অবস্থায় পড়ে আছে। লিংক রোডের মোড়টি ত্রিমুখী। টেকনাফ থেকে চট্টগ্রাম এর দিকে আসা একটি বাস ঐ পর্যটকটিকে খুব বেশি জোরে নাহলেও একটা ধাক্কা দেয়। এরকম অসংখ্য দুর্ঘটনা সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘটছে। অনেকে আছে গাড়ির ড্রাইভিং সিটে বসে মোবাইলে কথাও বলছে আবার ড্রাইভিং ও করছে। অনেক সময় দেখা যায় যে ঐ ধরনের ড্রাইভাররাই দুর্ঘটনা বেশি ঘটাচ্ছে। তাই ঐ ধরণের লোক যারা হাঁটতে হাঁতে মোবাইলে কথা বলে এবং যারা মোবাইলে কথা বলে বলে গাড়ি চালায় তাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ থাকবে আপনারা অনুগ্রহ পূর্বক পথচলার সময় এবং গাড়ি চালানো অবস্থায় মোবাইলে কথা বলবেন না। বললেও অনুগ্রহ করে অন্যমনমস্ক হবেন না। অনমনস্ক হয়ে এসব করলে আপনি নিজেও ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। আসুন আমরা সকলে মিলে মোবাইল বিষয়ক দুর্ঘটনাকে প্রতিহত করি।
Subscribe to:
Posts (Atom)

