পৃষ্ঠাসমূহ

Thursday, April 11, 2013

এনার্জি ড্রিংকস মাদকাসক্তির কালো দরজা উম্মুক্ত করে...



সফট ড্রিংকসের পর এখন বাজার সয়লাব হয়ে গেছে নানা রকমের এনার্জি ড্রিংকসে। টেলিভিশনের পর্দায় প্রিয় তারকাদের দিয়ে তৈরী এসব ড্রিংকসের আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন যখন দর্শক দেখে, তখন ছেলে-বুড়ো নির্বিশেষে সবারই হয়তো মনে হয় এটা খেলে এক্ষুণি বোধ হয় অনুরিক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে যাবে। “একটু বুঝে শুনে খাও” কখন কি হয় বলা যায় না। কিংবা এই ড্রিংকস খেলে ধরাকে সরা জ্ঞান করতে পারবেন ইত্যাদি রীতিমতো আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করে নির্মিত এসব বিজ্ঞাপনগুলো কিছু মানুষকে আকৃষ্ট করছে তাতে সন্দেহ নেই। তারা দেদারসে খাচ্ছেন এসব এনার্জি ড্রিংকস নামের তথাকথিত শক্তি ড্রিংকস যা মাদকাসক্তির কালো দরজাকেই উম্মুক্ত করে।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের মতো উন্নয়শীল দেশগুলো এনার্জি ড্রিংকস নিয়ে মাতামাতি করলেও উন্নত বিশ্ব ইতোমধ্যেই এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হয়ে একের পর এক ব্রান্ডকে নিষিদ্ধ করছে। ১৯৯৭ সালে আমেরিকার বাজারে আসে “রেড বুল” নামের একটি এনার্জি ড্রিংক যা বাজারের ৪৭% ভাগই দখল করে ফেলে। কিন্তু বছর কয়েক আগে ফ্রান্সে ১৮ বছর বয়সী এক কিশোর বাস্কেটবল খেলার পর ৪ ক্যান রেড বুল খেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লে ফ্রান্স সরকার রেড বুলকে নিষিদ্ধ করে। ময়না তদন্ত রিপোর্টে কিশোরটির মৃত্যুর কারণ হিসেবে বলা হয় উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে এনার্জি ড্রিংকসের উচ্চমাত্রার ক্যাফেইন মিশে ‌‘সাডেন এডাল্ট ডেড সিনড্রোম’ থেকেই এ মৃত্যু হয়েছে।

কী আছে এনার্জি ড্রিংকসে?

এনার্জি ড্রিংকসে ক্ষতিকর অন্যান্য উপাদানের পাশাপাশি আছে উচ্চমাত্রার ক্যাফেইন যা মৃগীরোগ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষের দেহে ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন যতেষ্ট। একজন নারীর ক্ষেতে এ মাত্র ৩০০ মিলিগ্রাম। অথচ একটা এনার্জি ড্রিংকসের ক্যানেই থাকে ৩৬০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন। তাহলেই বুঝতে পারছেন একের পর এক এনার্জি ড্রিংক যখন আপনি গিলতে থাকেন তখন কী অবস্থি হয়! ক্রমাগতই উচ্চমাত্রার ক্যাফেইন নিতে থাকলে নার্ভাসনেস, বদমেজাজ, উদ্বেগ-উৎকন্ঠা, পেশির টান, অনিদ্রা, মাথাব্যাথা এবং শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।

এছাড়া এনার্জি ড্রিংকসের আরেকটা ক্ষতিকারক দিক হলো সন্তানধারণে জটিলতা। যেসব নারী বা পুরুষ এনার্জি ড্রিংকসে অভ্যস্ত তাদের সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে। তাছাড়া দুর্বল শিশু বা সময়ের আগেই বাচ্চা হয়ে যাওয়ার প্রবণতাও দেখা দিতে পারে। এছাড়া কোমল পানীয়ের অন্যান্য ক্ষতিকর সবদিকই এর মধ্যে রয়েছে।

বিনা খরচে ফ্যাক্স পাঠান...



তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে ইন্টারনেট আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে পড়েছে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে-কর্মে লেগেছে ইন্টারনেটের হাওয়া। তাইতো এখন প্রচলিত মেইলের পরিবর্তে ই-মেইল, প্রচলিত ফ্যাক্সের পরিবর্তে ই-ফ্যাক্স, প্রচলিত কমার্সের পরিবর্তে ই-কমার্স, প্রচলিত লার্নিং সিস্টেমের পরিবর্তে ই-লার্নিং ইত্যাদি নতুন নতু শব্দের সাথে আমাদের পরিচয় হচ্ছে। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত হওয়ার ফলে আমাদের জন্য খুলে গেছে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার। দ্রুত বাড়ছে আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা। তাছাড়া মোবাইল কোম্পানীগুলোর কল্যাণে ইন্টারনেট এখন পৌঁছে গেছে শহর থেকে একেবারে গ্রামে-গঞ্জে। তাই এখন যে কোনো জায়গায় বসে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল চেক করা অনেক সহজ হয়ে গেছে। ই-মেইল আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অনেক ত্বরান্বিত করেছে। মুহুর্তের মধ্যেই বিশ্বের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে চিটি, ফাইল, ফটো সহ যেকোনো ইলেকট্রনিক ডকুমেন্ট চলে যাচ্ছে অপর প্রান্তে প্রায় বিনা খরচে। তাই প্রচলিত ডাক ব্যবস্থার উপর মানুষের নির্ভরশীলতা এখন অনেকটাই কমে গেছে। আমাদের দৈনন্দিন ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের আরেক প্রধান মাধ্যম ফ্যাক্স। প্রচলিত পিএসটিএন টেলিফোনের ফ্যাক্সিং এর চাইতে অনেক সহজ ও সাশ্রয়ী এক নতুন প্রযুক্তি হল ইন্টারনেট ফ্যাক্স বা ই-ফ্যাক্স। তাইতো ইন্টারনেটের বিভিন্ন পরিসেবার মধ্যে যোগ হয়েছে ইন্টারনেট ফ্যাক্সিং-ও। 

ই-ফ্যাক্স

ইন্টারনেট ফ্যাক্স বা ই-ফ্যাক্স ইন্টারনেটের এমন একটি পরিসেবা যার মাধ্যমে আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্যাক্স পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে পারেন। এটি প্রচলিত ফ্যাক্স এর প্রায় ৮০ গুণ সাশ্রয়ী এবং অনেক ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই সেবা পেতে পারেন। এই সেবা পাওয়ার জন্য আপনার কোনা ফ্যাক্স মেশিন, ফ্যাক্স মডেম এমনকি কোনো ফোন লাইনেরো প্রয়োজন নেই। শুধু দরকার আপনার একটি ই-মেইল এড্রেস আর ইন্টারনেট সংযোগ। আপনি ই-মেইল এর মতই বিশ্বের যে কোনো স্থান থেকে যে কোনো সময়ে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়ে এই ফ্যাক্স পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে পারেন।

ফ্রি ইন্টারনেট ফ্যাক্স সার্ভিস

ইন্টারনেটে ফ্রি ই-মেইলের মত আপনি বিশ্বের যেকোন দেশ থেকে ফ্রি ফ্যাক্স গ্রহণ করতে পারেন। এমনকি ফ্রি ফ্যাক্স পাঠাতেও পারেন বিশ্বের কিছু নির্দিষ্ট দেশে। এটি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য দারুণ উপযোগী। কারণ আমাদের অনেকেরই বিদেশ থেকে ফ্যাক্স আসে এবং সেজন্যে কোনো ফ্যাক্সের দোকান বা কারো অফিসের নাম্বার ব্যবহার করতে হয় যা অনেক ঝামেলার। ফ্রি ইন্টারনেট ফ্যাক্স যা আপনার ই-মেইলে সরাসরি চলে আসবে দিনরাত যে কোনো সময়। তাই এটি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য দারুণ উপযোগী।

ফ্রি ফ্যাক্স গ্রহণ করবেন যেভাবে:


eFax দিচ্ছে ফ্রি ইনকামিং ফ্যাক্স নাম্বার।এই ই-ফ্যাক্স ঠিকানায় গিয়ে আপনার নাম, ঠিকানা এবং ই-মেইল এড্রেস দিয়ে সাইন আপ করে আপনার পছন্দমত বেছে নিন আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালী, আয়ারল্যান্ড, বেলজিয়াম, অষ্ট্রিয়া’র মধ্যে যে কোনো একটি দেশের নন-লোকাল ফ্যাক্স নাম্বার। কারণ লোকাল নাম্বার এই ফ্রি সার্ভিসের জন্য প্রযোজ্য নয়। তবে যেহেতু আমেরিকার ফ্যাক্স নাম্বারে বিশ্বের যে কোনো জায়গা থেকে ফ্যাক্স করা সহজ তাই আমেরিকার ফ্যাক্স নাম্বারটি পছন্দ করাই উত্তম। আপনি চাইলে অন্য যে কোনো দেশের নাম্বারও নির্বাচন করতে পারেন। এই ফ্যাক্স নাম্বারে আপনি বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে প্রতি মাসে ২০ পাতা ফ্যাক্স গ্রহণ করতে পারবেন যা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য যতেষ্ট। আপনার আরও বেশি ফ্যাক্স আসার প্রয়োজন হলে ইয়াহু, হটমেইল কিংবা জিমেইল এর একাধিক ই-মেইল এড্রেস ব্যবহার করতে পারেন। তবে এই নাম্বারে আসা ফ্যাক্স দেখার জন্য আপনাকে eFax Messanger নামে একটি ছোট সফটঅয়্যার আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করে নিতে হবে। এই ই-ফ্যাক্স মেসেঞ্জারসাইটে গিয়ে মুহুর্তেই আপনি বিনামূল্যে নামিয়ে নিতে পারেন সফপঅয়্যারটি। তারপর আপনার ফ্যাক্সটি পড়া, প্রিন্ট করা সহ আপনি চাইলে এডিটও করতে পারবেন।

Wednesday, April 10, 2013

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কি?




আসসালামু আলাইকুম। সবাই আশা করি ভাল আছেন। আমি কিন্তু ভাল নেই। দেশের যে পরিস্থিতি তাতে ভাল থাকি কি করে। বর্তমানে বাংলাদেশে যা শুরু হয়েছে তা সচেতন নাগরিকদের ভাবিয়ে তুলে কিনা জানি না। আমার মত সাধারণ একজন মানুষের মনটাও ছটফট করে ওঠে যখন শুনি অমুকের কর্মী অমুকের গুলিতে নিহত। এই সহিংসতা কেন? কিসের জন্য? হরতালের নামে প্রতিনিয়ত এখন যে ক্ষয়ক্ষতি করা হচ্ছে, ভাংচুর করা হচ্ছে এতে ক্ষতি কি সরকারের হচ্ছে নাকি আমাদের মত সাধারণ জনগণের। আর এখন তো হরতাল মানে হরতালের আগের দিন রাত্রেই ভাংচুর শুরু। জালাও পোড়াও শুরু। বড় বড় নেতারা তাদের ঘরে এসির নিচে বসে একখানা হরতালের ডাক দেয় আর মাঠ পর্যায়ে পিকেটিং করতে নামে খুবই সাধারণ কিছু লোক। এতে ক্ষতিটা হচ্ছে ঐ নির্বোধ সাধারণ লোকগুলোরই। বড় বড় নেতারা থাকে ধরা ছোয়ার বাইরে। আমরা কি পারি না সহিংসতার রাজনীতি বন্ধ করে অহিংস আন্দোলন করতে? আমরা কি কখনোই পারবো না আমাদের হিংস্রতা বন্ধ করতে? আমরা কি পারবো না বাংলাদেশকে উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে? আসুন না আমরা আমাদের চিন্তাধারা বদলায়। আমরা দেশকে নিয়ে ভাবি। দেশের কথা চিন্তা করি। দেশের উন্নতির কথা চিন্তা করি। আমরা সহিংসতা বন্ধ করে, ভাংচুর, জালাও পোড়াও বন্ধ করে দেশটাকে সুন্দর করে সাজানোর কথা ভাবি। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে হলে আমাদের এখনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। কাঁদে কাঁদ মিলিয়ে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। অনেক ঘাম ঝড়াতে হবে আমাদের শরীর থেকে। তারপরই আসবে এদেশের শান্তি। হবে সোনার বাংলা। আমরা চাই বাংলাদেশকে বিশ্ব চিনুক। ক্ষুদ্র দেশ হিসেবে বাংলাদেশ হোক সবার জন্য এক উদাহরণ।

Monday, December 10, 2012

হরতাল এবং কিছু প্রশ্ন...

আসসালামু
 আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহে ওয়াবারকাতুহু... সবাইকে আমার সালাম ও শুভেচ্ছা।
আজ অনেক দিন পর কিছু লিখতে বসলাম। হরতাল আমাদের দেশের আন্দোলনের অন্যতম
মাধ্যম। কোন কিছুই হতে পারে না সাথে সাথে হরতাল। রাস্তায় কোন পথচারী সড়ক
দুর্ঘটনায় মারা গেল, ব্যাস্ সাথে সাথে শুরু হয়ে যায় গাড়ী ভাঙ্গচুর আর ধাওয়া
 পাল্টা ধাওয়া, এবং এই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে কেউ আহত কিংবা নিহত হলো,
তার পরের দিনই হরতাল। এই হরতালের ডাকটা আসে রাজনৈতিক দলের উচ্চ পর্যায়ের
নেতাদের নিকট থেকে। এই নেতারা হরতাল কিংবা অবরোধের ডাক দিয়ে বাসায় এসির
নিচে বসে বসে টেলিভিশনে তামাশা দেখতে থাকে আর আমাদের মত সহজ সরল সাধারণ
মানুষগুলো রাস্তায় নেমে আসে নেতাদের ডাকে। শুরু করে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ।
এতে করে ক্ষতির দিকটা শুধুই আমাদের। মাঝখানে রাজনৈতিক নেতারা আমাদের সেই
ক্ষতিটাকে তাদের রাজনৈতিক ইস্যু বানিয়ে তাদের স্বার্থটা সফলভাবে উদ্ধার
করে। এই সহজ কথাটা যারা এই হরতাল অবরোধে পিকেটিং করতে যায় তারা কেউ একবার
ভেবে দেখে না। তারা ভাবে যে, আমি যদি ভাল পারফরম করতে পারি তাহলে তো আমি
আরো উপরে উঠতে পারবো, কিন্তু তারা এটা ভাবে না যে, আমি যদি মারা যায় তাহলে
তো তারা আমার জন্য কিছুক্ষণ মিডিয়ার সামনে চোখের পানি ফেলা ছাড়া, এবং তাদের
 রাজনৈতিক ইস্যু তৈরী করা ছাড়া আর কিছুই তারা আমাদের জন্য করবে না। আসলে
বর্তমান বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলগুলোই স্বার্থপর। তারা শুধু আমাদের
ব্যবহার করতে জানে। আমরাও নির্বোধের মত তাদের ডাকে ঝাপিয়ে পড়ি। আর এই
উদারতা দেখাতে গিয়ে খালি হচ্ছে অসংখ্য মায়ের বুক। অনককেই প্রাণ দিতে হচ্ছে
বিনা কারণেই। তাহলে কেন আমরা এখন ও এই হরতালের সমর্থন করি। হরতাল সেটা যে
দলই আহবান করুক না কেন আমাদের উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে হরতাল মোকাবেলা করা। আমি
কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থন করে এই কথাগুলো বললাম না, শুধু আমার মনের ক্ষোভটা
 প্রকাশ করলাম। আমার দ্বারা রাজনীতি হবে না। কারণ এই রাজনীতি করে আমি এত
সহজে প্রাণ হারাতে চাই না। আমি বাঁচতে চাই এই সুন্দর পৃথিবীতে, পৃথিবীটাকে
আরো সুন্দর করতে চাই যতটুকু আমার সাধ্য আছে তা দিয়ে।

       আমাকে কেউ ভুল বুঝবেন না। আমি বিশ্বজিতে করুণ মৃত্যু দেখে আর নিজেকে
 সামলে রাখতে পারিনি বলেই এই লেখাটি লিখতে বসলাম। কি দোষ করেছিল বিশ্বজিত??
 তাকে কেন প্রাণ দিতে হলো...??? জনতার বিবেকের কাছে আমার প্রশ্ন...

       শ্রদ্ধেয় পাঠকগণ...ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।